ওয়াহাবি আন্দোলন ও উলামায়ে দেওবন্দের মূল্যায়ন

ওয়াহাবি আন্দোলন ও উলামায়ে দেওবন্দের মূল্যায়ন's Category :

ওয়াহাবি আন্দোলন ও উলামায়ে দেওবন্দের মূল্যায়ন's Publication :

ওয়াহাবি আন্দোলন ও উলামায়ে দেওবন্দের মূল্যায়ন's Writer :

ওয়াহাবি আন্দোলন ও উলামায়ে দেওবন্দের মূল্যায়ন


"ওয়াহাবি আন্দোলন ও উলামায়ে দেওবন্দের মূল্যায়ন" বইটির মূল্য

নতুন বইঃ 89 Taka


"ওয়াহাবি আন্দোলন ও উলামায়ে দেওবন্দের মূল্যায়ন" বইটির বিস্তারিত

আমার ছয় (৬) বছরের লালিত চিন্তাচেতনাকে, মাত্র একটি বই খন্ডন করে রুজু করিয়েছে।
...........................................................
★বইটির নামঃ ওয়াহাবি আন্দোলন ও উলামায়ে দেওবন্দের মূল্যায়ন।
★লেখকঃ মাওলানা মনযুর নুমানি (রহঃ)
★অনুবাদকঃ আবদুল্লাহ আল ফারুক সাহেব।
★প্রকাশকঃ মাওলানা ওবায়দুল্লাহ হাফেজাহুল্লাহ।
★মাকতাবাতুল আযহার কতৃর্ক প্রকাশিত।
পৃষ্ঠার সংখ্যা:১৪৪।
*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*
আমার শৈশব থেকেই আমি ওলামায়ে দেওবন্দ ও আহলে হাদীস ওলামাদের সাথে সুসম্পর্ক কায়েম রেখে আসছি।মাঝে কিছুদিন মাকতাবায়ে বেরেলভী ফিকার এর সাথেও জড়িয়ে ছিলাম তাদের মতাদর্শ জানার লক্ষ্যে।
যাই হোক,
আমি যখন বেরেলভী মাজহাব এর সাথে পরিচিত হই তখন থেকেই আমার নজরে আবদুল ওয়াহহাব নজদি (রহেঃ) বিষয়ে না মুনাসিব কিছু বিষয় আসতে থাকে যা আমি পূর্বে কখনোই শুনিনাই বা দেখি নাই।মাওলানা হেমায়েত উদ্দিন সাহেবের লেখা বই "ইসলামি আকিদা ও ভ্রান্তমতবাদ" পড়ে দেখেছি,তিনিও প্রশংসা সহ তাকে উল্লেখ্য করেছেন এবং কিছু ফুরুয়ি মাসালায় ইখতেলাফ উল্লেখ পূর্বক জানিয়েছেন এগুলা শুধু ইখতেলাফি মাসলা,বড় কিছু নয়।কিন্তু তাতে পিপাসিত হৃদয়ের তৃষ্ণা মেটে নাই। আর আহলে হাদীসদের পক্ষ থেকে তার নামের এক প্রকার স্তুতি জপা হয় বললেই চলে, ফলে কোন কটু বাক্য কল্পনাও করা যায় না।

এমন মুহুর্তে বেরেলভী মাজহাব থেকে আবদুল ওয়াহহাব নজদি (রহেঃ) নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগ, সমালোচনার কোন সুস্পষ্ট জবাব আমি তখনও পাইনাই।উর্দুতে যত বই পড়েছি তাতে তার বদনামই গাওয়া হয়েছে।তারপর আমার সামনে,শিয়া মাজহাবের একটি কিতাব পড়ে যা পড়ার পর আমি চূড়ান্ত হতাশ হয়ে পড়ি।সদুত্তর না পেয়ে, আমি নিজেই আবদুল ওয়াহহাব নজদি (রহেঃ) প্রতি এতো বিদ্বেষ রাখতে শুরু করি যে, তার নাম কুৎসিত ভাবে উচ্চারন করতাম এবং তার নামের শেষে কোন দিন রহমাতুল্লাহি আলাইহি লিখতামও না পড়তাম ও না।এর পর আবার,
হয়তো জ্ঞানকোষ প্রকাশনি হবে,সেখান থেকে প্রকাশিত গোয়েন্দা ডায়েরি নামক ভয়ংকর মিথ্যা বই পড়ে বিশ্বাস করে ফেলি।
অথচ আল্লাহ তায়ালা ফাসেকের থেকে প্রাপ্ত সংবাদের সত্যতা শনাক্ত বিহীন গ্রহন করতে নিষেধ করেছেন।আমি তাও বিশ্বাস করে ফেলি।
কারন,আজ অবধি এমন কোন বাংলা বই বাজারে আমি পাইনাই যা আমাকে আমার প্রশ্নগুলার নিরপেক্ষ সমাধান দিতে পারে।
💚শুকরিয়া জানাই,💚মাকতাবাতুল আযহার
এর "মোহাম্মদ সোহাগ হোসেন রাফি" ভাইকে, তিনি আমাকে বইটি হাদিয়া দিয়ে ধন্য করেন।
ব্যস্ততার দরুন বেশ কিছুদিন পড়ে ছিলো।বইটি দেখতাম আর ভাবতাম,- "আমি জানি ওলাময়ে দেওবন্দ আবদুল ওয়াহহাব নজদি কে কেমন মূল্যায়ন করে"।
পরে যখন বইটি পড়া শুরু করি,তখন এক নিমেষে বইটি গোগ্রাসে গিলেছি বললে চলে।আমার সকল কনফিউশান নিমেষে এই বই দূর করে দিয়েছে।দয়াময় রব, মাওলানা মনযুর নুমানী (রহঃ) কে জান্নাতের উচা মাকাম দান করুক,আমিন। আরও বেশি মুগ্ধ হলাম এই ভেবে যে,ওলামায়ে দেওবন্দের রুহানি সন্তান গুলা কতই না মহান চরিত্রের ও উদার মনের।
আহলে হাদীসের ভাইয়েরা "সেই শুরু থেকে যে মানহাজ কে প্রথম ও প্রধান টার্গেট বানিয়ে লাঞ্ছিত করার লক্ষ্যে এখনো কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।সেই নির্জাতিত, তাদের ভাষায়,বিদআতি গুষ্টিই তাদের প্রান পুরুষের সম্ভ্রম রক্ষার্থে কলম উঠিয়েছেন।বন্দুকের নলের সামনে দাড়িঁয়ে বদনাম করাই স্বাভাবিক। অথচ হক কে হক স্পষ্ট রুপে বর্ণনা করে চোখের আবৃত মায়াজাল ছিন্ন করলো একজন দেওবন্দী আলেম।অথচ এই দায়িত্ব তো আমার আহলে হাদীস ভাইদের উপর বর্তায়।
আমি চিরকৃতজ্ঞ মাকতাবাতুল আযহারের প্রকাশক মহোদয় মাওলানা ওবায়দুল্লাহ হাফেজাহুল্লাহ প্রতি।
কারন তিনি যদি বইটি না প্রকাশ করতেন, তাহলে হয়তো আমি আজও একটি ভ্রান্তির মাঝে নিমজ্জিত রইতাম।
তর্জমাকার, আবদুল্লাহ আল ফারুক সাহেব খুবই দারুন ভাবে সরল বঙ্গানুবাদ করেছেন।তাকে আল্লাহ জাঝায়ে খায়ের আতা ফারমাক।
সাথে সাথে মাকতাবাতুল আযহার এর জন্য কল্যান ও বরকতের দুআ করছি।
আমিন।

/
/
মুহাম্মদ তায়েফ হাসান খান।
0